দীর্ঘদিন বেঁচে থাকতে সহায়তা করে সমাজ ও পরিবেশ
সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, দীর্ঘদিন বেঁচে থাকার পেছনে যে বিষয়গুলি গুরুত্বপূর্ণ তার মধ্যে অন্যতম হলো- সমাজ ও পরিবেশ। অর্থাৎ আমরা কোন সামাজিক পরিস্থিতি ও পরিবেশের মধ্যে বাস করছি তা আমাদের বেঁচে থাকার সময়কালকে প্রভাবিত করতে পারে। জার্নাল অব অ্যানভাইরোমেন্টাল রিসার্চ অ্যান্ড পাবলিক হেলথ কর্তৃক প্রকাশিত এক গবেষণায় এমনটি দাবি করা হয়েছে। গবেষণাটির সাথে যুক্ত ছিলেনে ওয়াসিংটন স্টেট ইউনিভার্সিটির এলসন এস ফ্লোয়েড কলেজ অব মেডিসিনের গবেষকরা।
সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, দীর্ঘদিন বেঁচে থাকার পেছনে যে বিষয়গুলি গুরুত্বপূর্ণ তার মধ্যে অন্যতম হলো- সমাজ ও পরিবেশ। অর্থাৎ আমরা কোন সামাজিক পরিস্থিতি ও পরিবেশের মধ্যে বাস করছি তা আমাদের বেঁচে থাকার সময়কালকে প্রভাবিত করতে পারে।
জার্নাল অব অ্যানভাইরোমেন্টাল রিসার্চ অ্যান্ড পাবলিক হেলথ কর্তৃক প্রকাশিত এক গবেষণায় এমনটি দাবি করা হয়েছে। গবেষণাটির সাথে যুক্ত ছিলেনে ওয়াসিংটন স্টেট ইউনিভার্সিটির এলসন এস ফ্লোয়েড কলেজ অব মেডিসিনের গবেষকরা।
গবেষণাটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন রাজ্যের বাসিন্দাদের মৃত্যু হারের উপর ভিত্তি করে করা হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, ১০০ বছরের বেশি বেঁচে থাকা লোকেরা খোলামেলা জায়গায় বসবাস করেছেন, যেখানে হাঁটা-চলা করার মতো যথেষ্ট জায়গা ছিল।
গবেষকরা বলছেন, আমাদের আশেপাশের পরিবেশ আমাদের সুস্থতা ও বেঁচে থাকাকে প্রভাবিত করেন।
এ বিষয়ে গবেষণার মূল লেখক অফের আম্রান বলেন, “পূর্ববর্তী গবেষণার ফলে আমরা জেনেছি আমাদের শরীর জিনেটিক কারণে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হতে পারে, যা আমাদের বেঁচে থাকার সময়কালকেও প্রভাবিত করে। এই গবেষণাটির ফলে আমরা প্রমাণ পেয়েছি যে আমাদের চারপাশের প্রাকৃতিক পরিবেশও দীর্ঘ জীবন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।”
অন্যভাবে বলতে গেলে, আপনি যখন স্বাস্থ্যকর প্রাকৃতিক পরিবেশের মধ্যে বাস করবেন তখন সেটি আপনাকে সময়ের সাথে জীবনযাত্রার পরিবর্তনের প্রতিকূলতাকে জয় করতে সহায়তা করবে।
অন্যদিকে যখন আপনি অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করবেন তখন স্বাভাবিক ভাবেই তা থেকে নানা ধরণের রোগ-ব্যাধির ঝুঁকি বৃদ্ধি পাবে এবং বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে আপনি অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন।
গবেষণাটিতে ২০১১ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে ৭৫ বা তার বেশি বয়সে মারা যাওয়া প্রায় এক লাখ ৪৫ হাজার ওয়াশিংটনের অধিবাসীর রাষ্ট্রীয় রেকর্ড পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। যাতে প্রতিটি ব্যক্তির বয়স এবং স্থান সম্পর্কিত তথ্য অন্তর্ভুক্ত ছিল। এছাড়াও মৃত্যুর সময় তার বাসস্থান এবং সেইসাথে তাদের লিঙ্গ, জাতি, শিক্ষার স্তর ও বৈবাহিক অবস্থার কথাও নথিভুক্ত ছিল। তথ্যসূত্র: সাইন্স ডেইলি
টাইমস/এনজে/জিএস